রিয়াজ গাজী পটুয়াখালী। পটুয়াখালীতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় ১৮ জুন বৃহষ্পতিবার থেকে পটুয়াখালী পৌরসভা পাঁচটি ওয়ার্ডসহ বিভিন্নপটুয়াখালীতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় ১৮ জুন বৃহষ্পতিবার থেকে পটুয়াখালী পৌরসভা পাঁচটি ওয়ার্ডসহ বিভিন্ন উপজেলার কয়েকটি ওয়ার্ড এলাকায় লকডাউন বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে প্রশাসনসহ স্বাস্থ্য বিভাগ।
গত রবিবার বিকালে জেলা প্রশাসক দরবার হলে জেলা প্রশাসক মোঃ মতিউল ইসলাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে করোনা প্রতিরোধ বিষয় এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় করোনা প্রতিরোধে পটুয়াখালী পৌর সভার ২,৩,৬,৭ ও ৮ নং ওয়াড, সদর উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড, দুমকি উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড, কলাপাড়া পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড (নাইয়াপাড়া),বাউফল পৌরসভার ২,৪ ও ৭ নং ওয়ার্ড, দশমিনা উপজেলার বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড, দশমিনা সদর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড, বহরমপুর ইউনিয়নের ২ ও ৩ নং ওয়ার্ড, এবং বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড এলাকে রেড জোন ও পটুয়াখালী পৌরসভার ৪ ও ৫ নং ওয়ার্ড, বদরপুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড, দুমকি উপজেলার আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড, শ্যীরামপুর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড, কলাপাড়া পৌরসভার ১,৩ ও ৭ ওয়ার্ডের আংশিক(রহমতপুর, নাচনাপাড়া, সিনিয়র মাদ্রাসা রোড, বাউফলের সূর্য্যমনি ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড, দশমিনা উপজেলার সদর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডকে এবং পটুয়াখালী পৌরসভার ১ ও ৯ নং ওয়ার্ড এবং পৌরসভার উপজেলার বাকি অংশকে গ্রীন জোন হিসাবে চিহ্নিত করে রেড জোন ঘোষনার জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কেন্দ্রীয় কারিগরী গ্রুপের নিকট সুপারিশ করার জন্য সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায়ু উপস্থিত ছিলেন সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(সদর সার্কেল) মুকিত হাসান, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট গোলাম সরোয়ার , সদর ইউএনও লতিফা জান্নাতী, মেয়রের প্রতিনিধি কাউন্সিলর কাজল বরন দাস, প্রেসক্লাবের সভাপতি কাজী সামসুর রহমান ইকবাল প্রমুখ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কেন্দ্রীয় কারিগরী গ্রুপের নিকট প্রেরিত সুপারিশ অনুমোদন হওয়ায় উক্ত এলাকা সমূহে লকডাউন কার্যকরের পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে বলে জেলা প্রশাসক মোঃ মতিউল ইসলাম চৌধুরী ও সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম জানান। এ লকডাউন বাস্তবায়নের জন্য অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে আহবায়ত করে একটি আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে বলেও জেলা প্রশাসক জানান।
পটুয়াখালী জেলায় করোনায় এ পর্যন্ত ১৯৩ জন আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৪৯ জন আইসোলেশনে আছে বলে সিভিল সার্জন ডাক্তার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম শিপন নিশ্চিতি করেছেন। উপজেলার কয়েকটি ওয়ার্ড এলাকায় লকডাউন বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে প্রশাসনসহ স্বাস্থ্য বিভাগ।
গত রবিবার বিকালে জেলা প্রশাসক দরবার হলে জেলা প্রশাসক মোঃ মতিউল ইসলাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে করোনা প্রতিরোধ বিষয় এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় করোনা প্রতিরোধে পটুয়াখালী পৌর সভার ২,৩,৬,৭ ও ৮ নং ওয়াড, সদর উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড, দুমকি উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড, কলাপাড়া পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড (নাইয়াপাড়া),বাউফল পৌরসভার ২,৪ ও ৭ নং ওয়ার্ড, দশমিনা উপজেলার বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড, দশমিনা সদর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড, বহরমপুর ইউনিয়নের ২ ও ৩ নং ওয়ার্ড, এবং বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড এলাকে রেড জোন ও পটুয়াখালী পৌরসভার ৪ ও ৫ নং ওয়ার্ড, বদরপুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড, দুমকি উপজেলার আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড, শ্যীরামপুর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড, কলাপাড়া পৌরসভার ১,৩ ও ৭ ওয়ার্ডের আংশিক(রহমতপুর, নাচনাপাড়া, সিনিয়র মাদ্রাসা রোড, বাউফলের সূর্য্যমনি ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড, দশমিনা উপজেলার সদর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডকে এবং পটুয়াখালী পৌরসভার ১ ও ৯ নং ওয়ার্ড এবং পৌরসভার উপজেলার বাকি অংশকে গ্রীন জোন হিসাবে চিহ্নিত করে রেড জোন ঘোষনার জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কেন্দ্রীয় কারিগরী গ্রুপের নিকট সুপারিশ করার জন্য সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(সদর সার্কেল) মুকিত হাসান, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট গোলাম সরোয়ার , সদর ইউএনও লতিফা জান্নাতী, মেয়রের প্রতিনিধি কাউন্সিলর কাজল বরন দাস, প্রেসক্লাবের সভাপতি কাজী সামসুর রহমান ইকবাল প্রমুখ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কেন্দ্রীয় কারিগরী গ্রুপের নিকট প্রেরিত সুপারিশ অনুমোদন হওয়ায় উক্ত এলাকা সমূহে লকডাউন কার্যকরের পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে বলে জেলা প্রশাসক মোঃ মতিউল ইসলাম চৌধুরী ও সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম জানান। এ লকডাউন বাস্তবায়নের জন্য অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে আহবায়ত করে একটি আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে বলেও জেলা প্রশাসক জানান।
পটুয়াখালী জেলায় করোনায় এ পর্যন্ত ১৯৩ জন আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৪৯ জন আইসোলেশনে আছে বলে সিভিল সার্জন ডাক্তার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম শিপন নিশ্চিতি করেছেন।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে